About Us

অধুনা কথা

গ্রামই আমাদের গর্বিত ঐতিয্য

বর্তমান বর্ণাঢ্য আধুনিক ও দ্রুত অগ্রসরমান সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে আমরা "অধুনা থিয়েটার" এক অতি সুপরিচিত বাঙালি সাংস্কৃতিক বংশ৷ যার প্রতিটি সন্তান বহুমাত্রিকতায় সৃজনশীল এবং আত্মিকভাবে শিল্পবন্ধু৷


একটি মফশ্বল উপশহরের গ্রাম্য উঠোনে কিছু ভাবুক সংস্কৃতিমনা উদার ব্যক্তিদের কোলে প্রথম শ্বাস ফেলে অধুনা থিয়েটার৷আদর্শিক অবস্থানে অটল এই বাঙাল সংগঠনটি জন্ম দিয়েছে অসংখ্য শিল্পিকে৷ সৃষ্টি করেছে প্রণখুলে উপভোগ করার মত কিছু মঞ্চশিল্প৷ সুযোগ করেছে সামাজিকতার অতি আন্তরিক ভাবসম্প্রসাণে৷শুধুমাত্র নাটকেই সীমিত থাকেনি অধুনা থিয়েটারের কার্যক্রম বরং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের বিচিত্রতায়, সামাজিক গঠনমূলক ও সেচ্ছাসেবীতায় রয়েছে অগ্রগামী ভূমিকা।


সুদীর্ঘ পথচলায় সময়ের প্রয়োজনে আধুনিকতার ছোঁয়াও লেগেছে আমাদের আচরণে-কর্মে, তবে মর্মে শুধুই নিগুঢ় বাঙালি সত্তা৷ এবার আমরা শুরু করেছি নিজেদেরকে প্রযুক্তিগতভাবে শাণিত করার৷ আমরা দেখব শুনব বুঝব বিশ্ব সভ্যতাকে সংস্কৃতিকে৷ আবার দেখাব শোনাব বোঝাব আমাদের সত্তাকে সংস্কৃতিকে৷


আমরা প্রত্যয়ী, সুখী এবং ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ কিছু মানুষের এক বিশাল পরিবার৷ আমাদের মেলে আপনার আমত্রণ৷

প্রতিষ্ঠাতার অভিব্যাক্তি

বানী নয়, শুভেচ্ছা নয়, সহযাত্রা

Image

অধুনা থিয়েটার এর গৌরবময় পথ চলার আরেকটি মাইলফলক আমরা স্পর্শ করতে যাচ্ছি। অত্যন্ত গর্ববোধ করছি যে আমরা অধুনা থিয়েটার প্রথম বাংলাদেশী নাট্য সংগঠন হিসেবে একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক ওয়েবসাইট জনসম্মূখে উদ্ধোধন করব। এই স্মরণীয় সময়ে অধুনার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যাদের শ্রমে-শক্তিতে সংগঠনটি পথ চলেছে  সবাইকে জানাই কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। ধন্যবাদ জানাই- এডভোকেট নাজনীন কাজল ও এডভোকেট ফারহানা ফেরদৌসীর নেতৃত্বাধীন কার্যকরী পরিষদের সকল দায়িত্বশীলদের- যাদের দায়িত্বকালীন সময়ে অধুনা থিয়েটার তার সকল অতীত ঐতিহ্যকে ধারণ করে তথা প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারে নিজস্ব ওয়েব সাইট উদ্ধোধন করতে যাচ্ছে। সবিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সঞ্জীব কুমার তলাপাত্র কে যার সৃজনশীল চিন্তাধারা, একনিষ্ঠ উদ্যোগ ও নিরলস পরিশ্রমে অধুনা থিয়েটার পেয়েছে তার নিজস্ব ওয়েব সাইট এবং ওয়েব আর্কাইভ। অধুনা অন্ত:প্রাণ এই শিল্পমনা বন্ধুটির সৃষ্টিশীতার এক অনন্য নিদর্শন এই ওয়েবসাইট যার প্রতিটি পরতে জরিয়ে আছে অধুনা থিয়েটারের বিগত ২৮ বছরের পথচলার সব স্মৃতি, আবেগ, ভালবাসা।


ভাবতেই অবাক লাগে ১৯৯১ সালে কুমিল্লা শহরতলীর রাজাপাড়া গ্রাম থেকে বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে কিছু স্বপ্নবাজ সাংস্কৃতিক সহযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে যে সংগঠনটির যাত্রা শুরু করেছিলাম আজ তার ২৮ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। আমাদের সংগঠনের অর্জন অনেক হলেও এখনও স্পর্শ করতে হবে আরো কিছু স্বপ্ন। তবে গর্বের সাথে উচ্চারন করা যায়- আমরা কখনো থেমে থাকিনি। জেলা শহরের হাজারো সীমাবদ্ধতাকে জয় করেছে অধুনার নাট্যকর্মীরা- প্রজ্ঞা-সাহস-মেধা ও দৃঢ়তার সাথে। সুদৃর ২৭ বছর পেরিয়ে অভিজ্ঞতায়, উৎসব আয়োজনে, বৈচিত্র আর বর্ণাঢ্যতায় আজ এক অনন্য স্থানে অধুনা প্রতিষ্ঠিত নাগরিক আলোচনায়। সাংস্কৃতিক পদযাত্রায়- আলোকোজ্জ্বল নেতৃত্ব দিয়েছে অধুনা সময়ের প্রয়োজনে দৃপ্ত প্রতিজ্ঞায়।


প্রতিনিয়তই আমরা সমৃদ্ধ হচ্ছি আমাদের সাংস্কৃতিক চর্চায়, কর্মকান্ডে এবং এ দীর্ঘ সময় অধুনা পরিবারে যুক্ত হয়েছে অনেক সম্ভাবনাময়ী তারুন্য যাদের সক্রিয় উপস্থিতি ও সৃজনশীল কর্মতৎপরতায় অধুনা থিয়েটারের আজকের এ বিশেষ অবস্থান। শুধুমাত্র মঞ্চ নাটক ই নয়- অধুনা থিয়েটার কুমিল্লার মূল ধারার সাংস্কৃতিক আন্দোলন সংগঠিত ও পরিচালনা করবার ক্ষেত্রে নিয়ামক ভূমিকা পালন করেছে- সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। ভালো লাগার অনুভূতি হলো- অধুনা আজ নিজ জেলার গন্ডিকে পেরিয়ে দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে; ডানা মেলেছে বিশ্ব সংস্কৃতির আকাশে। তাই যখনি যাদের উপর অধুনা থিয়েটারের পরিচালনার ভার অর্পিত হবে- তারা যেন সংগঠনের গৌরবময় ঐতিহ্যকে ধারণ করে সামনের দিকে অগ্রসর হয় সে প্রত্যাশা রইলো।


দীর্ঘ পথ চলার সকল সাথীদের স্মরণ করছি- যাদের অনবদ্য অবদান কখনো ভূলবার নয়। নিষ্ক্রিয়তা ভেঙ্গে, মান অভিমান ভূলে আবারো এক সাথে পথ চলার আহবান জানাই। বুকে ইস্পাত কঠিন প্রত্যয় লালন করে প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ধারাতে আমরা অবিচল থাকবো। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্বপ্নের দেশ তৈরীতে অধুনার সাথীরা সুস্থ সংস্কৃতি চর্চায় সক্রীয় থাকবে গভীর মমতায়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় অধুনা থিয়েটার এগিয়ে যাবে সুন্দর আগামী বিনির্মানের লক্ষ্যে। আশাপ্রকাশ করছি আপনাদের সাথে নিয়েই আমরা সর্বময় বিকশিত হব এবং প্রকাশিত থাকব এই স্মৃতির পোর্টালে। জয়তু অধুনা থিয়েটার  (২৪/০৬/২০১৮)

বাণী ও সুহৃদ শুভেচ্ছা স্মারক

তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন সেই জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন...

Image

স্মৃতি আজাদ

যুক্তরাজ্যের ডকল্যান্ড থিয়েটার এর চ্যায়ারপার্সন

ধন্যবাদ অধুনা থিয়েটার এর প্রতিষ্ঠাতা এডভোকেট শহিদুল হক স্বপন, সভাপতি এডভোকেট নাজনীন কাজল , সাধারণ সম্পাদক ফারহানা ফেরদৌসী , বিশিষ্ট ছড়াকার জহিরুল হক দুলাল , নাট্যব্যাক্তিত্ব হাশিম আপ্পু , তপন সেন গুপ্ত,। কুমিল্লার জনপ্রিয় জাড়ি দল এর সদস্য এবং বিভিন্ন নাট্যকর্মীদের প্রতি আমার অভিনন্দন ! আমাকে সম্মানিত করার জন্য আমি আনন্দচিত্তে আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশা করি সব বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাবে অধুনা সহ কুমিল্লা তথা বাংলার সকল থিয়েটার। কুমিল্লার এক সময়কার খুবই জনপ্রিয় জাড়ি গানের শিল্পী বৃন্দের গান শুনে আমি মুগ্ধ। তারা অনেকে বার্ধক্যকের কারণে হাটাচলা করতে পারেন না। দলের দলনেতা শুধু আমার জন্য অনুষ্ঠানে এসে হুইল চেয়ারে বসে গানের মাধ্যমে আমাকে যে সম্মান প্রদর্শন করেছেন, আমি কি বলে যে ধন্যবাদ দেবো আমার সেই ভাষা নেই,,আমি সবার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। আমার যে কি ভালো লেগেছিল আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না, যে সব নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আমাকে এবং আমার পরিবারকে সম্মাননা জানিয়েছেন তাদের প্রতি রইলো আমার শুভকামনা । আমি বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আমার ছোট বোন বর্ণালী চক্রবর্তী কে ( ডকল্যান্ডস থিয়েটারের কালচারাল সেক্রেটারি ) আমি বর্ণালী কে নিয়ে গর্ববোধ করি সে কুমিল্লার অধুনা থিয়েটারের একজন একনিষ্ঠ কর্মী. বর্নালী তোকে আমি ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবোনা বোন, তোর এমন আয়োজনের জন্য আমি সত্যিই অভিভূত। (২৬ /১২/২০১৭)